
চাঁদপুর খবর ডেক্স : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান সামাজিক উদ্যোক্তা তৈরি এবং টেকসই সামাজিক প্রভাব সৃষ্টির প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি হিসেবে ‘দ্য ড্যাফোডিল মডেল’ -এর ওপর আলোকপাত করেছেন।
বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান মালয়েশিয়ার আলবুখারি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (অওট) আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যাল বিজনেস কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন (আইএসবিসিই) ২০২৬’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন।
১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সবার জন্য সামাজিক ব্যবসা’। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত ॥েথকে শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা এবং সামাজিক ব্যবসায় নিয়োজিত নেতৃবৃন্দ একত্রিত হন, যেখানে সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সম্মেলনের প্রথম দিনে ড. খান ‘ড্যাফোডিলে সামাজিক ব্যবসা: শিক্ষা ॥েথকে কর্ম, উদ্ভাবন ও টেকসই প্রভাব’) শীর্ষক ম॥ূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি, তিনি ‘সফল সামাজিক উদ্যোক্তা তৈরিতে ড্যাফোডিল মডেল’ বিষয়ক একটি বিশেষ আলোচনাও তুলে ধরেন।
উপস্থাপনায় ড. খান সামাজিক উদ্যোক্তা তৈরিতে ডিআইইউ-এর সমন্বিত পদ্ধতির ক॥থা তুলে ধরেন, যা সাতটি ম॥ূলস্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে -শিক্ষা, অভিজ্ঞতা অর্জন, প্রতিযোগিতা), গবেষণা, উদ্যোক্তা তৈরি, সহযোগিতা এবং প্রভাব। তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক শিক্ষার সাথে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা, উদ্ভাবন ও উদ্যোগ উন্নয়নের সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষা॥র্থীদের বাস্তব জগতের সামাজিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে তুলতে পারে।
এই উপস্থাপনায় সামাজিক ব্যবসা শিক্ষা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের কর্মসূচি, উদ্যোগ ইনকিউবেশন এবং ডিজিটাল ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ডিআইইউ-এর বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। এসব উদ্যোগ শিক্ষা॥র্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তাসুলভ মানসিকতা গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের এমন টেকসই সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করে, যা সমাজে অর্থবহ অবদান রাখতে সক্ষম।
সম্মেলনটিতে আরও বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এন্টারপ্রেনারশিপ (ওঘঝকঊঘ)-এর সিইও ভিভিয়ান্টি সারজুনি এবং ‘ডিসকভার মুয়েথাই’-এর সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমরান হারিস।
আইএসবিসিই ২০২৬-এ ড. সবুর খানের অংশগ্রহণ সামাজিক উদ্যোক্তা আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে এবং দায়িত্বশীল, উদ্ভাবনী ও প্রভাব-সৃষ্টিকারী নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা তৈরিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।




