নাজমুল পরকীয়ার ঘটনায় ২য় স্ত্রীর মামলায় জেল হাজতে

স্টাফ রির্পোটার : চাঁদপুর বাবুরহাট ইসলামিয়া ঋণদান সঞ্চয় সমিতির মালিক নাজমুল হুদা শামীমের পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলায় আটক হয়েছে।

রবিবার বিকেলে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই জাকির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাবুরহাট ইসলামিয়া ঋণদান সঞ্চয় সমিতিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

নাজমুল হুদা শামীমের দ্বিতীয় স্ত্রী শিল্পী আক্তার নির্যাতনের শিকার হয়ে চাঁদপুর বিজ্ঞ আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গ্রেফতারি পরনা জারি হলে অবশেষে পুলিশ নারী লোভী ইসলামিয়া ঋণদান সঞ্চয় সমিতির মালিক নাজমুল হুদা শামীমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

মামলার বাদী দ্বিতীয় স্ত্রী শিল্পী আক্তার জানান, স্বামী নাজমুল হুদা শামীম একজন পরকীয়ায় নারী আসক্ত ছিল। তার ইসলামিয়া ঋণদান সঞ্চয় সমিতির অনেক মেয়েকে চাকরি দেওয়ার নামে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। সে ফেনী জেলায় পিংকি নামের এক মেয়েকে প্রথম বিয়ে করেছে। প্রথম সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে তারপরেও সে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে পরকীয়া আসক্ত হয়।

সেখান থেকে চাঁদপুরে এসে বিয়ের কথা গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করে। পরবর্তীতে তার অফিসের ম্যানেজার পরকীয়া প্রেমিকা আশিকাটি ইউনিয়নের সালমা আক্তার ও তার ছোট বোনের সাথে সম্পর্ক করে অনৈতিক কার্যকলাপ করেছে।

কিছুদিন পূর্বে বিজয় মেলায় নাজমুল তার প্রেমিকা সালমা আক্তারকে নিয়ে ঘুরতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা খেয়েছে। পরে পরকীয়া প্রেমিকা আশিকাটি ইউনিয়নের সালমা আক্তারকেসহ সমিতির মালিক নাজমুল হুদা শামীমকে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দেয়। এই পরকীয়ার ঘটনা প্রতিবাদ করলে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর করে আহত করেছে। পরবর্তীতে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।

শামীমের দ্বিতীয় স্ত্রী আরও জানান, নাজমুল হুদা শামীম ফেনী থেকে চাঁদপুরে এসে একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতো। পরে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে নিজেই বাবুরহাটে ইসলামিয়া ঋণদান সঞ্চয় সমিতির মালিক হয়ে কাজ শুরু করে।

তার সমিতিতে বিভিন্ন মেয়েদের চাকরি দেওয়ার নাম করে এনে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সালমা ও তার বোন দুজনের সাথেই তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার বড় বোন শামীমের জন্য বিষ খেয়েছে। এই লম্পট পরকীয়া আসক্ত নাজমুল হুদা শামীমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানাই।

সম্পর্কিত খবর