
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল আলম রবের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগের দাবি করেছেন চাঁদপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. কাজী হাসেম।
তিনি গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চাঁদপুর প্রেস ক্লাবরে সভাপতি সোহেল রুশদীর ম্যাসেঞ্জারে তথ্য দিয়ে এই অভিযোগ উল্লেখ্য করে তার বক্তব্য পেশ করেন। তাঁর অভিযোগ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শহীদুল আলম রব তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর যথাযথ জবাব না দিয়ে ভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
অভিযোগকারী তাঁর বক্তব্যে দাবি করেন, স্বল্পমেয়াদি আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়কের কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার নেই। তাঁর মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অর্থ আত্মসাৎ বা উত্তোলনসংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অভিযোগকারীর দাবি, সাবেক জেলা প্রশাসক মহসিন উদ্দিনের নিষেধ সত্ত্বেও শহীদুল আলম রব একই ব্যাংকে একই নামে আরেকটি যৌথ হিসাব খোলেন।
ওই হিসাবে প্রায় এক লাখ টাকা জমা ছিল বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের দোকানগুলোর ভাড়াটিয়াদের জমা দেওয়া ভাড়ার টাকাসহ ওই হিসাব বন্ধ করে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ব্যাংকের নথি, হিসাবের বিবরণী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে তথ্যগুলো যাচাই করা প্রয়োজন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা প্রসঙ্গে অভিযোগকারী বলেন, এ কার্যক্রমের সভাপতি জেলা প্রশাসক।
তাঁর দাবি, বিল-ভাউচার উপস্থাপন, অনুমোদন এবং চেকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া জেলা প্রশাসকের সংশ্লিষ্টতার মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হয়। তাই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করা জরুরি। অভিযোগকারীর আরও দাবি, শহীদুল আলম রবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর জবাব না দিয়ে অন্য বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যা তাঁর কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয়েছে।
তিনি অভিযোগগুলোর কপি পাঠিয়ে বিষয়গুলো যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন।




