
চাঁদপুর খবর রির্পোট: চাঁদপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বিষ্ণুদী দর্জি বাড়ির মৃত আকিল উদ্দিন দর্জি ছেলে মোঃ হানিফ এর উপর হামলার ঘটনায় চাঁদপুর সদর থানায় জিডি এন্টি দায়ের করায় বাদী এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
গত ৫অক্টোবর চাঁদপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বিষ্ণুদী দর্জি বাড়ির রফিকুল ইসলামের ছেলে অনিক দর্জি কে আসামী করে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় জিডি এন্টি করেন। যার জিডি নং-৩০১, তারিখ: ৫অক্টোবর ২০২৪।
পশ্চিম বিষ্ণুদী দর্জি বাড়ির মৃত আকিল উদ্দিন দর্জি ছেলে মোঃ হানিফ গতকাল দৈনিক চাঁদপুর খবরকে আমি ও আমার পরিবার বতমানে নিরাপত্তহীনতায় দিন কাটাচ্ছি । আমি চাঁদপুরের পুলিশ সুপার স্যার ও মডেল থানার ওসির স্যারের সুদৃষ্টি কামনা করছি । বিবাদী অনিক দর্জিগংরা আমাকে দিনে- রাতে হুমকি দিচ্ছে । আমাকে নানাভাবে হয়রানি করবে। এসআইকে টাকা দিয়ে কিনে নিবে । তার কোন অথের কোন অভাব নেই । আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে । জীবন নাশের হুমকি দেয় ।এমনকি গত ৫ অক্টোবর চাঁদপুর মডেল থানা ক্যাম্পাসে এসআই মামুনুর রশিদ ভাইয়ের সামনে বিবাদী অনিক দর্জিগংরা আমার ও আমার পরিবারের উপর হামলার চেষ্টা করেছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দৈনিক চাঁদপুর খবরকে বলেন,বিষয়টি আমি জেনেছি । আসামী পশ্চিম বিষ্ণুদী দর্জি বাড়ির রফিকুল ইসলামের ছেলে অনিক দর্জির বিরুদ্ধে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিব। এ ব্যাপারে এসআই মামুনুর রশিদকে প্রয়োজনীয় নিদেশনা দিয়েছি । জিডিটি আইনী ব্যবস্থা নিতে দ্রুত আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে রিপোট দিতে বলেছি ।
জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর উক্ত ঘটনায় অভিযোগ দাখিল করলেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা তদন্তে ঘটনাস্থলে যায়নি। অভিযোগ রয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মামুনুর রশিদ আসামীরাদের কাছ থেকে আথিক সুবিধা নিয়ে বাদীকে নানাভাবে হয়রানি করেছে। আসামীদের পক্ষে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাদীকে হয়রানি করছেন তিনি।
অবশেষে চাঁদপুর পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব ও চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি বাহার মিয়াকে দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকা অফিস থেকে বিষয়টি জানালেই গতকালই দ্রুত ঘটনাস্থলে তদন্তে যান চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মামুনুর রশিদ। সেই সাথে ঘটনার ৬দিন পর ঘটনাটি জিডিএন্টি দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বাদী জানান, উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চাঁদপুর পুলিশ সুপার ও চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি স্যারের হস্তক্ষেপে অভিযোগ দাখিলের ৬দিন পর তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগটির বিষয়ে এসআই মামুনুর রশিদ জিডিএন্টি করেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, ১নং বিবাদী আমার মেঝ ভাইয়ের ছোট ছেলে হয়। বিবাদী অতন্ত দুশ্চরিত্র খারাপ পরলোভী মাদক সেবনকারী এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক বটে। বিবাদী অকারন আমার বসতঘরে অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে প্রাণে মারার জন্য বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার ঘরে হামলা করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে থাকা প্রতিবেশীরা আমাকে আশ্রয়ে নিয়ে প্রানে বাচায়। একপর্যায়ে আমরা পারিবারিক ঝামেলা হওয়ায় মানসম্মানকে কেন্দ্র করে আইনের আশ্রয় না নিয়ে স্থানীয় গন্যমানা ব্যক্তিবর্গদের অবগত করার পর সামাজিক বৈঠক বসানোর পরিকল্পনা করি।
অকারনে বসতঘরে ও আমার ছেলে মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি এবং মানসিক ভাবে অত্যাচার করার হুমকি দিয়ে থাকে। বিবাদী পুনরায় আমার ঘরে ডুকে আমাকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। উক্ত হুমকির বিষয়ে আমার কাছে সাক্ষী প্রমান আছে। বিবাদী অত্যান্ত নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে ঘটনাস্থলে ঝামেলা তৈরি করে এবং বেপোরয়া অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে




