
মতলব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদী উত্তর ইউনিয়নের উপাদী মৌজার জরিপের বি ডি এস বা খতিয়ান পেতে জমির মালিক দের হতে হয় হয়রানির শিকার। টাকা ছাড়া খতিয়ান মিলে না ভুক্ত ভোগীদের।
এ মৌজায় ২০২০ইং সাল থেকে মাঠ পর্যায়ে জরিপের কাজ শুরু হয়।সে অনুপাতে প্রথম ধাপে ২০২৩ সালে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের সার্ভেয়ারগন জমির মালিকদের বি ডি এস জরিপের মাঠ খতিয়ান প্রদান করেন।
এ কাজ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর পুনরায় জমি তসদিককৃত করার জন্য তিন মাস পূর্বে এ কাজ চালু করেন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার রাজস্ব কর্মকর্তাগন। কিন্তু এ কাজ করতে গিয়ে জমির মালিকদের হয়তে হয় হয়রানির শিকার। কাজ করার জন্য চারটি টেবিল বসানো হয়েছে। এ মৌজায় বর্তমানে ২৪টি শীট করা হয়েছে।
একএকদিন এক-এক শীটের লোক জন কে আসার জন্য বলা হয়।প্রত্যেক খতিয়ানে টাকা হাতিয়ে নেন তিনশত পাঁচ শত টাকা করে। প্রতি জমি ডিস পোর্ট বা অপত্তি দিতে নেন এক হাজার টাকা করে।
এ মৌজার সি এনজি ড্রাইভার শাহজাহান, সবজি চাষ করা কৃষক হারুন পাটোয়ারী, শান্তি নগর বাজার ব্যাবসায়ী মনির হোসেন, ফারুক হোসেন ও উপাদী পাচকিপাড়া দিঘির পাড় বসবাস কারী সবাই অভিযোগ করে বলেন, এখানে রয়েছে অসংখ্য দালাল। দালাল দের হাত করে তারা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। এবং জমিতে বিভিন্ন সমস্যা আছে তা দেখিয়ে মিথ্যা অজুহাতে টাকা কামাই করেন।রাজস্ব অফিসার কাজী আবুল কাশেমের টেবিলে সহকারী সাধারণ মানুষ কে জিম্মি করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজস অফিসারের কয়েক জন সহকারী ও সার্ভেয়ারদের সাথে আলাপ করলে বলেন, মানুষ জন খুশি মনে আমাদের কিছু টাকা দেন।
তবে আমরা দাবি করে টাকা পয়সা নেই না।এই অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেটলমেন্ট অফিসার শওকত হোসেনের সাথে মুঠোফোনে আলাপ করলে বলেন, জরিপের বি ডি এস পেতে কাউকে হয়রানি বা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। এবং কেহ জেন টাকা না দেয়। টাকার বিষয়ে আমার কাছে কেহ লিখিত অভিযোগ দিলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিবো।




