চাঁদপুরে ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫টি নৌকাসহ ২৫ জেলে আটক

ইব্রাহীম খান : চাঁদপুর সদর নৌ-থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ৫টি নৌকা এবং ২ মণ জাটকা ইলিশসহ ২৫ জেলেকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) রাতে চাঁদপুর সদর নৌ-থানার আওতাধীন মেঘনা সহ বিভিন্ন নদী এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

আটককৃতদের মধ্যে ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মৎস্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে জব্দ করা ২ মণ জাটকা ইলিশ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

মামলার আসামি ও পরিচয়: নিয়মিত মামলায় অভিযুক্ত ১৪ জেলের মধ্যে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকার ৯ জন এবং শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ৫ জন রয়েছেন। চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা: মো. রসুল আমিন মোল্লা (২৫, দাসাদী), মো. ফারুক হাওলাদার (২৫, পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী), মো. তাফাজ্জল গাজী (৫০, রামদাসদী), মো. তামিম গাজী (১৯, রাজরাজেশ্বর সরদারকান্দি), মো. সাগর দেওয়ান (২০) ও মো. রান্য চৌকিদার (১৯, পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী), মো. ইসরাফিল পেদা (২৮, রামদাসদী), মো. শামীম হাওলাদার (২০, দাসাদী) এবং মো. খোরশেদ দেওয়ান (৪০, পুরানবাজার মধ্য শ্রীরামদী)।

শরীয়তপুর জেলার বাসিন্দা: গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের বুলু সর্দারপাড়া এলাকার মো. আসাদ গাজী (৩৮) ও মো. লিটন প্রামাণিক (৩৮), আন্নোকাটি এলাকার মো. ছোট্ট মোল্লা (৪৫), শেখসা এলাকার মো. জালাল মিয়া সর্দার (৩৫) এবং কোদালপুরের মো. স্বপন (৩৪)। চাঁদপুর সদর নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজমগীর হোসাইন জানান, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও জাটকা নিধন রোধে নৌ-পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ২৫ জনের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এবং অবৈধ কারেন্ট জাল ও জাটকা ধরা প্রতিরোধে নৌ-পুলিশের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”

সম্পর্কিত খবর