
স্টাফ রিপোটার: চাঁদপুর শহরে দোকান ভাড়ার বিরোধকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী কাজী হুমায়ুনকে আটক করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শহরের ছায়াবানী মোড়ের সিয়াম স্টোর থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় দোকানমালিকের ভাতিজা সাজ্জাদ হোসেন এলিনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কাজী হুমায়ুন ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ফাতেমা বেগমের মালিকানাধীন একটি দোকান প্রায় ১২ বছর আগে ভাড়া নেন কাজী হুমায়ুন। তিন বছর আগে দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও নতুন করে চুক্তি করেননি তিনি।
এ ছাড়া গত এক বছর ধরে দোকানভাড়াও পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন দোকানমালিকের পরিবার। একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও দোকান ছেড়ে না দেওয়ায় ফাতেমা বেগম আইনগত পদক্ষেপ নেন।
অভিযোগে বলা হয়, এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কাজী হুমায়ুনের ছেলে সিয়াম কাজী ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন গত সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের আলিম পাড়া এলাকায় এলিনকে মারধর করেন। ওই সময় এলিন দোকানের মালামাল কেনার জন্য যাচ্ছিলেন। পথে একা পেয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয় এবং পরে ৮ থেকে ১০ জন মিলে হামলা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলিনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে তার গলা চেপে ধরেন। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় হাসপাতালের মেডিকেল সনদ নম্বর ৮৮২৮০/৩৭০ উল্লেখ করে মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মারধরের পর এলিনকে দোকানের বিষয়ে আর কোনো কথা বললে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দোকান ভাড়া ও চুক্তির মেয়াদ নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।




