শাহরাস্তিতে ভূমি জবর দখল ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ শাহরাস্তিতে ভূমি জবর দখল করায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছে।
১৫ ডিসেম্বর সোমবার শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোঃ নেওয়াজ মোরশেদ এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

ভুক্তভোগী সুচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নের দৈকামতা গ্রামের মৃত মীর মোঃ নজরুল ইসলামের পুত্র মীর মোঃ নেওয়াজ মোরশেদ লিখিত বক্তব্য জানান আমি পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার, সাংহাই, চায়নাতে কর্মরত, আমার বাবার মৃত্যুর পর আমাদের প্রাপ্ত সম্পত্তি বেহাত অবস্থায় একজন ভূমি দস্যু কাজী ওবায়েদুল্লাহ দ্বারা ২০২১ সাল থেকে আমাদের অংশিদার থেকে দুটি দলিল দ্বারা ০.৫২৫০ একর ভূমি ক্রয় সূত্রে মালিক হন।

দলিল নং ৪১১৬/২০২১, চৌহদ্দি: উত্তরে-রাস্তা, দক্ষিণে-আবদুল আলী, পূর্বে-মীর তাজমিন, পশ্চিমে-মীর জহিরুল ইসলাম ও ৩৮৩৪/২০২০, চৌহদ্দি উত্তরে- সরকারি রাস্তা, দক্ষিণে আলীর বাড়ি, পূর্বে সহিতা পশ্চিমে-সরকারি রাস্তা।

মুলত কাজী ওবায়েদ যে জায়গা প্রাপ্যতা রাখে, সে জায়গায় না গিয়ে আমাদের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ০.৫২৫০ একর ভূমি ও জন্য সূত্রে প্রাপ্ত ০.৪০০০ একর ভূমি জোর পূর্বক দখল করে। যাহার দলিল নং যথাক্রমে। ২৪৭৭/২০১৬ (০.৫২৫০ একর), চৌহদ্দি: উত্তরে-রাস্তা ও হেদায়েত উল্লা গং, দক্ষিণে-মীর জামিল গং, পূর্বে-মীর জামিল গং, পশ্চিমে-রাঙা এবং ২৭৫৯/২০২৩ (০,৪০০০ একর), চৌহদ্দি।

উত্তরে-মীর মোঃ নজরুল ইসলাম ও মীর মোঃ মিজানুল ইসলাম, দক্ষিণে-মীর মোঃ জহিরুল ইসলাম তৎপর মীর মোঃ শহিদুল ইসলাম, পূর্বে-জামিল গং, পশ্চিমে-সলিং রাস্তা।

২০২২ সাল হতে কাজী ওবায়েদ আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেন। যাহার ক্ষতিপূরণ অবর্ণনীয়। মামলাগুলো হচ্ছে যথাক্রমে সি.আর মামলা নং-১১৪/২০২২, সি.আর মামলা নং-৬০০/২০২১ (বরুড়া থানা), সহকারী পুলিশ সুপার স্মারক নং-৮০৫।

আমাদের পৈত্রিক সূত্রে সৃজনকৃত দলিল ২০১৬ সালে। কিন্তু কাজী ওবায়েদ তার উপর দলিল সৃজন করেন ২০২১ সালে। প্রথমত সে আমাদের জায়গা জোর দখল করে। যে জায়গা দখল করে, সে জায়গা আমাদের ৩ অংশিদারের পৈত্রিক ও খারিদা সম্পত্তি।

অংশিদারদের নাম: মীর তুহিন গং, পিতা-মৃত নজরুল ইসলাম (০.৫২৫০ একর), নাজমা বেগম, পতি-মৃত নজরুল ইসলাম (০.৪০০০ একর), মীর জামিল গং, পিতা-মৃত জহিরুল ইসলাম (০.৫২৫০ একর)। শাহরাস্তি উপজেলাধীন সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের হাল ১২৯ নং দৈকামতা মৌজার বি.এস ৪৩৩ নং খতিয়ানভূক্ত বি.এস ৯৯ নং দাগ। দ্বিতীয়ত, কাজী ওবায়েদ যে জায়গা ক্রয় করেন, সে জায়গায় প্রিয়ামশন ২৬০/২০২২ নং মামলা চলমান থাকাবস্থায় জায়গা বিক্রি করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

প্রিয়ামশন মামলা চলমান থাকাবস্থায় জায়গা ক্রয়-বিক্রয়ের বিধান বা আইন আছে কি? সে কি আইন অমান্যের সামিল নয়? আমাদের জায়গায় দুই দিন পরপর নতুন নতুন সাইনবোর্ড সংযুক্ত হয় এবং এতে আমরা হয়রানী হচ্ছি। পরবর্তীতে আমরা আমাদের পৈত্রিক ও খরিদা সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড স্থাপন করি এবং বিভিন্ন ধরণের হুমকীর সম্মুখীন হতে হয় (যার কল রেকর্ড জমা প্রদান করলাম)।

কাজী ওবায়েদ যে, প্রকৃত ভূমি দস্যু, তার প্রমাণও উপস্থান করলাম। আমি সহ আমার ভাই তুষার, আমার চাচা মিজানুল ইসলাম এবং আমার চাচাতো ভাইদের জীবন সংকটাপন্ন। কাজী ওবায়েদের বিভিন্ন সরকারি জায়গা দখলের প্রমাণ স্থাপন করিলাম। যার উচ্ছেদ মামলা নং-৯২/২০১৪-১৫।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সম্পর্কিত খবর