
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম: হাজীগঞ্জে উপজেলার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হওয়া নদীপত্র, রেলপথ ও সড়কপথ। এই তিন পাথের মধ্যে দুই পথে লেগে থাকে যানজট। রেল পথ থাকে ফাঁকা। পূর্বে ৫-৬ জোড়া ট্রেন চলাচল করলেও বর্তমানে ট্রেন চলে মাত্র দুইটি।
চাঁদপুর লাকসাম রেল সড়কে ভোর পাঁচটা বাজে একটি ট্রেন। আরেকটি দুপুরে ২/৩ টায় এ দুটি ট্রেনেই চলে চাঁদপুর লাকসাম রেল সড়কে। যেন দিনের পর দিন রেল সড়ক পথের উপর থেকে মানুষের আস্তা হারিয়ে যাচ্ছে।
এক সময় এই রেল সড়ক দিয়ে চাঁদপুর, লাকসাম, চট্টগ্রাম সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ যাতায়াতের একমাত্র উপায় ছিল। লাভজনক এই রেল পথে অনিয়মিত ট্রেন চলাচলের কারণে ধীরে ধীরে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।
চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের হাজীগঞ্জ বাজারে লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট। এতে করে পথচারী ও জনসাধারণ চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। নোয়াখালী, রামগঞ্জ, লক্ষীপুর, সোনাপুরের গাড়ি স্বল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা আসা যাওয়ার জন্য হাজীগঞ্জ হয়ে রামগঞ্জ গৌরীপুর সড়কের যাত্রীরা যাতায়াত করেন। অথচ এই সড়কের হাজীগঞ্জ অংশে দীর্ঘ যানজটের কারণে যাত্রী ও দূরপাল্লার যানবাহনের চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা যায়।
ছোটখাটো যানবাহন ও হকার গন সড়কের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে যানবাহন যাতায়াতে প্রতিরোধ করে বসে থাকার কারণে এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
চাঁদপুরের পদ্মা, মেঘনা, যমুনার শাখা ডাকাতিয়া নদীর হাজীগঞ্জ বাজার অংশে প্রতিবছরের নয় এ বছরও দেশের বরিশাল, ভোলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আশা নদী পথে তরমুজ ও ফল ফলাদি এবং বালি বোঝাই কারগো, তরমুজ আনলোড করা ট্রলারের কারণে নদীপথেও লেগে থাকে যানজট। ছবিতে দেখা যাচ্ছে আনলোড হচ্ছে তরমুজের ট্রলার।
প্রতিদিনের মতো প্রতি মধ্যে আসা-যাওয়া করছে বালি বোঝাই বলগেট। এতে করে দেখা যায় বলগেট ও তরমুজের ট্রলারের সাথে ছোটখাটো দুর্ঘটনার মত ঘটনা ঘটছে। এতে করে নৌপথের দুই পরিবহনের জন্য আশঙ্কা রয়েছে। নদীপথে হাজীগঞ্জের উপর দিয়ে চাঁদপুরের চরের বালি হাজীগঞ্জ শাহারাস্তি লাকসাম ও কুমিল্লার কিছু অংশে এ পথে ট্রলার যোগে যাতায়াত করে।




