চাঁদপুরের ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপূজার জোর প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত আনন্দমুখর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ঐতিহ্যবাহী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে পরিষদ সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।

দেশের ৬৪টি জেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নিয়ে নিজ নিজ এলাকার সাংগঠনিক তৎপরতা ও আসন্ন দুর্গাপূজার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’- এই মূলনীতিকে সামনে রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সম্প্রীতি ও সহযোগিতায় উৎসব সফল করার দীপ্ত প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।

উৎসব ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনাবলি দেওয়া হয়। খুব শিগগিরই এই দিকনির্দেশনার আলোকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বর্ধিত সভা আয়োজন করা হবে বলে জানান আয়োজকরা। সভায় চাঁদপুর জেলার প্রতিনিধিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ ও যুগ্ম সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র সরকার এবং সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব মানিক লাল ঘোষ। তারা চাঁদপুর জেলার সার্বিক প্রস্তুতি ও স্থানীয় পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনে তুলে ধরেন। নেতৃবৃন্দ জানান, এ বছর চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলায় মোট ২৩২টি মণ্ডপে সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।

উৎসবকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা কারিগরদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় দেবী প্রতিমা গড়ার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

একই সঙ্গে আলোকসজ্জা ও মণ্ডপ সজ্জার প্রস্তুতিও পুরোদমে শুরু হয়েছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ৬ দিনব্যাপী এই প্রাণের উৎসব। পরবর্তীতে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে এ বছরের দুর্গাপূজার।

সম্পর্কিত খবর