কচুয়ায় জমিজমা বিরোধের জের ধরে প্রবাসীর বসতঘর

কচুয়া প্রতিনিধি: কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের প্রসন্নকাপ গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গ্রামের গনি মাস্টারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ক্ষতি সাধিত হয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার জানান।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এজহার সূত্রে বাদী প্রবাসী স্ত্রী ফাতেমা বেগম জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমার স্বামীর ৬ শতাংশ জমি জোরপূর্বক ভাবে দখল করে রেখেছে প্রতিপক্ষ আলম হোসেন । আমার বাপের বাড়ি আলিয়ারা থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিপক্ষ আলম হোসেন, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম, ছেলে সাগর, ইসমাইলসহ দলবল নিয়ে আমার বসতঘর ও দোকানপাট ভাংচুর শুরু করেন। আমার ভাসুরের মেয়ে রাশেদ আক্তার তাদেরকে ডাক দিলে তাকে একা পেয়ে কিলঘুষি, বেদারক পিটিয়ে নীলা জখম করে ঘরে বন্দী করে রাখেন। আমি মোবাইল ফোনে জানতে পারি, আমাকে তারা মারার জন্য পরিকল্পনা করে রেখেছেন। আমি দ্রুত কচুয়া থানায় এসে পুলিশের সহায়তা নিয়ে আমার ভাসুরের মেয়ে রাশেদা আক্তারকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

তিনি আরো জানান, আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকে। তাদের অত্যাচারে আমি আমার স্বামীর বাড়িতে ছেড়ে ছেলে সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকি।

প্রতিপক্ষ আলম হোসেন বলেন, আমি ৬ শতাংশ জায়গা বায়না সূত্রে ক্রয় করেছি। আমার স্ট্যাম্পসহ বায়না দলিলের সাক্ষীরা রয়েছে। ওই জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। কোন মারামারি এবং দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা হয়নি।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, ফাতেমা বেগমের অভিযোগে ঘটনাস্থল পুলিশ গিয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পর্কিত খবর