মতলব উত্তরে নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণ

শামীম আহম্মেদ জয় : চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বিশিষ্ট সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী রিপন সরকার। তিনি একজন পর উপকারী গরীবের বন্ধু। যিনি গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী গ্রামে ব্যাক্তি উদ্যোগে মুসল্লিদের জন্য জামে মসজিদ নির্মাণ করছেন তিনি।

রিপন সরকার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ জামালপুর গ্রামের বাতেন সরকারে ছেলে। সে মতলব উত্তর উপজেলা বেলতলী গ্রামে মৎস্য চাষ ও গজার মাছের একজন বিদেশে রপ্তানি কারক। ব্যবসার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে তিনি বেলতলী গ্রামে বসবাস করছেন, এবং বর্তমানে তিনি মতলব উত্তর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, রিপন সরকার মতলব উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন মূলক কাজ এবং গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতা এলাকার মানুষের নামাজের সুবিধার্থে মসজিদ নির্মাণের চিন্তা মাথায় আনেন তিনি। এরপর থেকে বিদায়ী বছর ২০২৪ সালে ডিসেম্বর মাসে তিনি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ৬তলা ফাউন্ডেশন নিয়ে মসজিদের কাজ শুরু করেন তিনি।

১তলা কাজ ৭০ % দৃশ্যমান তার এই মহৎ কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গ্রামবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও আলী আকবর জানান, আমাদের গ্রামে একটি পুরাতন জরাজীর্ণ টিনের মসজিদ ছিলো, সেখানে ১৫-২০ এর বেশী মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারতো না। একটু বৃষ্টি হলে টিন দিয়ে মসজিদের ভিতরে পানি ঢুকে যেত, বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে নামাজ পড়তে হয়।

বিশেষ করে ঝড় বৃষ্টির সময় আমাদের অনেক কষ্ট হয়। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, মুসল্লিদের নামাজের সুবিধার কথা চিন্তা করে রিপন ভাই তার লিজকৃত জায়গায় নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণ করে দিচ্ছেন। তিনি প্রমাণ করলেন যার মন যত বড় তিনি মানুষ হিসেবে তত বড়। আজীবন রিপন ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য মুসল্লিরা নামাজ পড়ে দোয়া করবে।

এ সময় মসজিদ নির্মাণে অর্থদাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রিপন সরকার জানান, এলাকার ধারে কাছে মসজিদ না থাকায় তিনি অনুভব করেন মুসুল্লিদের জন্য একটা মসজিদ অতীব প্রয়োজন। তাই ব্যক্তিগত তাগিদ থেকেই তিনি এলাকার লোকজনের সাথে আলোচনা করে বেলতলী খেয়াঘাট রাস্তার পাশেই একটি সুদর্শন মসজিদ নির্মাণ করছেন। এরমধ্যে ৭০% মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। যার ডিজাইনার তিনি নিজেই।

তিনি আরো জানান, তাঁর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থাকুক আর নাইবা থাকুক এই মসজিদ থেকেই যাবে। মুসল্লিরা নামাজ পড়তে এসে তাঁর কথা চিন্তা করবে এটাই তাঁর বড় পাওয়া।

সম্পর্কিত খবর