
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি : ফরিদগঞ্জে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক সভাপতি ও যুবলীগের এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
আটকের খবর পেয়ে সুবিধাভোগী কিছু ব্যক্তি তাদের পক্ষে সুপারিশ করতে এলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাধার মুখে সটকে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সোহাগ (২৭) এবং একই ইউনিয়নের সদস্য ও যুবলীগ নেতা আহাদ খাঁন জুয়েলকে (৩৫) আটক করে।
তাদের মধ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগকে বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় এবং ইউপি সদস্য জুয়েলকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিকেলে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত যুবলীগ নেতা জুয়েল গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে এবং ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ একই গ্রামের মো. নূরুল আমিন ভূঁইয়ার ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ জানান, “আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এদিকে, ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগকে আটকের পর কতিপয় ব্যক্তি তার বিষয়ে তদ্বির করতে থানায় আসছে-এমন সংবাদ পেয়ে পৌর ও উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল আমিন মোল্লা, সদস্য সচিব আমজাদ হোসেন শিবলু এবং উপজেলা ছাত্রদল নেতা আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবাদ জানানো হলে তদবিরকারীরা তড়িঘড়ি করে সটকে পড়ে।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদল নেতা আশিকুর রহমান বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের পর তাদের পক্ষে বিএনপি নামধারী কারো অবস্থান নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক থানার সামনে গিয়ে অবস্থান নিই এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সুবিধাবাদী অংশটি কৌশলে চম্পট দেয়।”




