
চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : দেশের বিশিষ্ট নৌপরিবহন ব্যবসায়ী, এমভি রফরফ, আল- বোরাকসহ আরো কটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চের মালিক চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলা রোডের বাসিন্দা, বারেক হাজী নামে বহুল পরিচিত আলহাজ্ব এমএ বারী খান আর বেঁচে নেই।
তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১ আগস্ট ২০২৫) সকাল ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে লঞ্চে যাতায়াত বিলাসবহুল ও আধুনিকায়নের অগ্রদূত ও চাঁদপুর শহরের ওয়াখোলা নিবাসী আলহাজ্ব এমএ বারী খান দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, পাঁচ মেয়ে, নাতি নাতনিসহ বহু গেছেন। তাঁর মৃত্যু সংবাসে চাঁদপুর শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে। আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য শুভাকাঙ্কী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শনিবার (২ আগস্ট ২০২৫) বাদ জোহর তাঁর প্রচেষ্টায় সম্প্রসারিত চাঁদপুর কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে বাইতুল আমিন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। মরহুম বারেক হাজীর বড়ো ছেলে হাজী মো. বেনজির খান তাঁর বাবার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
তিনি জানান, তার মা ও গুরুতর অসুস্থ। মায়ের জন্যেও সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। আলহাজ্ব এম এ বারী খান চাঁদপুরের একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক ছিলেন। নৌপরিবহন ব্যবসার পাশাপাশি তিনি বহু জনহিতকর কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন এবং চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখেন।
তিনি গুয়াখোলা ক্রীড়া চক্র ও চাঁদপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা এবং গুয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও রেলওয়ে বাইতুল আমিন আমে মসজিদের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।




