
বাংলাদেে জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতিতে ইদানিং বেশ আলোচিত ব্যক্তিত্ব চাঁদপুর বাসীর গর্ব, বাংলাদেশী বংশোদ্ভ‚ত ব্রিটিশ নাগরিক চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ড. মাহদী আমিন।

সব মÍরের মানুষের সাথে সহজে মিশে যাওয়া এবং মিস্টিভাষী এই মানুষটির জন্ম ইলিশের বাড়ীখ্যাত চাঁদপুর জেলার সদস থানার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিন বালিয়া গ্রামে। তার পিতা জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কমফোর্ট গ্রæপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। আর মাতা সালমা আমিন একজন সুগৃহীনী ।
তার নানার বাড়ী কুমিল্লায়। তার নানা আবদুল আাউয়াল ছিলেন ্একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী দল বিএনপি’র কুমিল্লা জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ছিলেন।
১৯৭৭ সালে তার বাবা জনাব রুহুল আমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ¯œাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি একজন সুপরিচিত ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পেশাদার সংগঠনের সাথে বিশেষ করে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারিং এন্ড এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সাথে জড়িত।
জনাব মাহদী আমিন ১৯৮৬ সালের ৩০ জুন তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবার ব্যবসার সুবাদে জন্ম, শৈশব ও লেখাপড়া শুরু হয় ঢাকায় ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
তিনি বারউচ কলেজ থেকে স্টাডি এব্রোড পোগ্রামে পড়াশুনা করেন। মিডলসেক্স ইউনিভাসিৃটি থেকে বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন এর উপর বিএ (অনার্স) করেছেন। এরপর লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস্ (এলএসই) থেকে পলিটিক্যাল ইকোনমি অব পাবলিক পলিসি নিয়ে পড়াশুনো করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যাম্্িরজ থেকে মডার্ন সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এর উপর এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যাম্্িরজ থেকে ম্যানেজমেন্ট এর উর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করছেন। তিনি আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে পলিটিক্যাল ইকোনমি অব পাবলিক পলিসি’র উপর বিশোয়িত ডিগ্রি (এক্সচেনঞ্জ পোগ্রাম) অর্জন করনে।
বিএনপি’র সাথে ড.মাহদী হাসানের নামটি জড়িয়ে পড়ে ২০১৩ সালে। ‘তারেক রহমানের রাজনীতির ভাবনা’ ( দি পলিটিক্যাল থট অব তারেক রহমান) শীর্ষক বই প্রকাশের মাধ্যমে। এই বইয়ের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন ড. মাহদী আমিন। যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্চিল অডিটরিয়ামে স্বয়ং তারেক রহমান উপস্থিত থেকে এই বই প্রকাশন করেন। এর পরের বছর ২০১৪ সালে তারেক রহমান তৎকালীন যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক আন্তর্জাতিক থিঙকট্যাঙ্ক বাংলাদেশ পলিসি ফোরামের ক্যাম্পেইন সভাপতি ড. মাহদী আমিনকে তাঁর (তারেক রহমানের) শিক্ষা ও গবেষণা উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন। তখন ড. মাহদী আমিন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালযে সেন্টার ফর প্রসেস এক্সসেলেন্স এন্ড ইনোভেশনে তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বিসয়ে শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বর্নাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বিশ্বখ্যাত আইবিএম, স্পোর্টস কার ল্যান্ড রোভার ( জাগুয়ার অটোমোটিভস), ব্রিটিশ টেলিকম গ্রæপ, অলিভ প্রোডাক্টস লিমিেিটড, অডিও এনালাইটিক, কন্টাক্ট ফিল্ড মার্কেটিং,লন্ডন লিগেছি ডেভেলাপমেন্ট কর্পোরেশন, প্রিমাভেরা গ্যালারী, রেডিক্যাল স্পোর্টস কার ওয়েস্ট ফিল্ড গ্রæপ ও ওয়েলকাম ট্রাস্টএর মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানীগেিলাতে কনসাল্টটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।
দক্ষিন এশিয়ার আর্থসামাজিক উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে গবেষণা করে ¯œাাতক ও ¯œাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস থেকে পলিটিক্যাল ইকোনমি অব পবিলিক পলিসি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ড. মাহদী আমিনের অনুপ্রেরনাদায়ী শিক্ষাগত ও পেশাগত অর্জনকে সম্মান জানিয়ে বিবিসি একটি প্রামান্যঢ়িত্রও নির্মাণ করেছে।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন বয়কটের পর বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু করার পর সেই প্রথম তারেক রহমান তার একজন উপদেষ্টা হিসেবে ড. মাহদী আমিনকে নিয়োগ দেন।বিএনপি’র ৩১ দফা এবং এবারের নির্বাচনী ইশতেহার তার মেধা ও মননের এক অনন্য উপহার। ইতিমধ্যে গত ২০১৫ সাল থেকে ড. মাহদী আমিন তাদের পারিবারিক ব্যবসায় সম্পৃক্ত হন।
এবার দেশে ফেরার পর তারেক রহমান যে উচ্চশিক্ষিত এবং পরিচ্ছন্ন টিমের সঙগে কাজ করেন ,সেই টিমের একজন ান্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করেন এই মাহাদী আমিন এবং তাকে নির্বাচনকালীণ সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির মুখপাত্র মনোনয়ন করা হয়।
ইতোমধ্যে তিনি দলীয় নেতা কর্মী এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলসহ সাধারন মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন নিজের মেধা ও গুনাবলীর মাধ্যমে। তারই স্বীকৃতি হিসেবে টেনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান তাকে তথ্যও যোগাযোগপ্রযুক্তিমন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
আমরা চাঁদপুরবাসী তার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।
লেখক:
মোঃ আনোয়ার হাবিব কাজল
সম্মানিত সদস্য, চাঁদপুর প্রেস ক্লাব
ও জ্যেষ্ঠ সহকারি পরিচালক (জনসংযোগ)
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি




