চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলায় পৌরসভার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণ !

স্টাফ রিপোটার : চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলা এলাকায় পৌরসভার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দারদের কথা চিন্তা না করে নিজেদের খামখেয়ালি মতো নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দাররা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে।

জানাযায়, বিল্লাল খান নামের জনৈক ব্যক্তি শহরের গুয়াখোলায় জমি কিনে তাতে প্রথমে একটি টিনসেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। গত কিছুদিন ধরে সেই টিনসেড ঘরটি ভেঙ্গে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। এ ভবন নির্মাণ করতে সে চাঁদপুর পৌরসভা থেকে কোনো ধরনের নকশা বা প্লান পাশ না করে ভবন নির্মাণ করে যাচ্ছে। বিল্লাল খান তার পাশের ভবন মালিক ইউসুব আলী বেপারীর কথা বিবেচনা না করে তার ভবনের উপর নবনির্মিত ভবনটি নিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে বিল্লাল খানকে ডাক দিলে তার ছেলে রাজন তাদেরকে অকর্থ্য ভাষায় গাল মন্দ করে। পরে ইউসুব আলী বেপারী বিষয়টি চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করে। জানতে পেরে প্যানেল মেয়র অ্যাডঃ হেলাল হোসাইন ঘটনাস্থলে এসে বিল্লাল খানকে বাড়ির কাজ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেন। তারপরও বাইরের কাজ না করে চুপুচুপি ভেতরের কাজ এখনো চালিয়ে যাচ্ছে।

জন নিরাপত্তার কথা না ভেবে বিল্লাল খান এ ভবন নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এ সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ময়লা পানি ও বালু সিমেন্ট গায়ে পরে জামা কাপড় নষ্ট পর্যন্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নাম মাত্র সাপোটিং দিয়ে এ বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় ভোক্তভোগিরা জানায়।

ভোক্তভোগি ইউসুব আলী বেপারী জানান, তারা সম্পূর্ন বেআইনি ভাবে ভবন নির্মান করে আমার ঘরের মালামাল নষ্ট করে দিচ্ছে। সে আমার সাইডে কোনো ধরনের সাপোটিং না দিয়ে আস্তর করছে।তাতে সম্পূর্ন ময়লা আবর্জনা আমার ঘরে ও ভাড়াটিয়াদের কক্ষে ধুলাবালির প্রবেশ আসবাবপত্র নষ্ট হচ্ছে। আমরা পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ করি। পৌরসভা থেকে নিষেধ করা সত্বে ও বিল্লাল খান বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভেতরে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমার জায়গা দখল করে সে ভবন করছে। আমি বাসাটি দেখভাল না করে আমার মেয়ে সেখানে থেকে বাসাটি পরিচালনা করে। আমার বাসার পৌরসভার হোল্ডিং ০৬৫১/১।পার্শ্ববর্তী নবনির্মিত ভবনের মালিক বিল্লাল খানের বাসার পৌরসভার হোল্ডিং ০৬৫১।

এবিষয়ে চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৮নং কাউন্সিলর অ্যাড:ঃ হেলাল হোসাইন জানান, গুয়াখোলা রোডে যেদুটি ভবন নিয়ে সমাস্যা, তারা উভয় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এবিষয়ে ভবন মালিক রাজন বলেন, যখন তারা বিল্ডিংএর কাজ করেছে তখন আমাদের জায়গা ব্যবহার করেছে। বর্তমান সময়ে আমার বিল্ডিংএর কাজ করার সময় তাদের জায়গা ব্যবহার করতে দিচ্ছে না।

সম্পর্কিত খবর