
মহসিন হোসাইন : চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মাদক মামলার আসামি চঞ্চলের দায়ের কোপে আহত হয়েছেন ছবির (৬১) নামের এক বৃদ্ধা। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখে জোরপূর্বক গাছ কেটে ফেলেন আবুল বাশার ওরফে মাদক সম্রাট চঞ্চল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে তাকে একাধিক মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি গত ৫ মার্চ জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় এলাকায় ফিরে এসে ছবির মিজির ওপর হামলা চালান। থানা সূত্রে জানা যায়, আবুল বাশার চঞ্চলের বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানায় জিআর ও সিআর মিলিয়ে প্রায় ১৭টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে মাদক, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগ রয়েছে।
মামলাগুলো হলো- ১I (1L54Q) চাঁদপুর এর মতলব উত্তর থানার এফআইআর নং-১৫/১৫, তারিখ- ১৫ জানয়ারি, ২০২১: জি অর নংু৫. তারিখ ১৫ জানুয়ারি, ২০২১; সময়- ০০ ১০ ঘিটিকার সময় ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক/৪১ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, এই মামলায় সে এজাহারে অভিয়ুক্ত। গ্ৰেফতারের রেফারেন্সঃ ১123-FEB-26 তাং এ আসামীর বসত বাড়ী অবস্থান থেকে সস্ত অবস্থায় পরোয়ানামুলে গ্ৰেফতার (জিতার) ্ৰফতার হয়- মামলা- চাঁদপুর এর মতলব উত্তর থানার এফআইআর নং-১৫/১৫, তারিখ- ১৫ জানুয়ারি, ২০২১; জি তার নং-১৫, তারিখ- ১৫ জানুয়ারি, ২০২১; সময়-ဝ০.১০ ঘিটিকার সময় ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮। এছাড়াও আরো একাধিক মামলা রয়েছে।
আহত ছবির মিজি জানান, তিনি বাজার থেকে একা বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পথে তাকে একা পেয়ে আবুল বাশার চঞ্চল কয়েকজন লোক নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে চঞ্চল ধারালো দা দিয়ে তার মাথায় কোপ দিলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তার পরিবারের সদস্য, নাতি ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার মাথায় ৬টি সেলাই দেন। এছাড়াও হামলার ফলে তার বাম পায়ের হাঁটুতে তীব্র ব্যথা, বুকে, গলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
ছবির মিজি আরও বলেন, চঞ্চল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসে। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মতলব উত্তর থানায় অবগত করেন এবং পুনরায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। পরে এসআই মিজানুর রহমান বলেন,আগের অভিযোগটি আমার কাছে ছিল। আজ এ ঘটনায় আরও একটি অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




