শাহরাস্তিতে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা : পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ শাহরাস্তিতে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা মামলা দায়েরের পর মামলা তুলে নিতে হুমকী দেওয়ায় ছাত্রী মা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

১০ ডিসেম্বর বুধবার বিকাল চারটায় শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে ওই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা শাহিনা বেগম সংবাদ সম্মেলনে জানান, চিতোষী সুলতানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল মালেকের কাছে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আমার মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে আমার মেয়েকে মাদ্রাসার তিন তলায় ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।

আমার মেয়ে ঘটনাটি প্রথম উঘারিয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে জানায় এবং পরে বাড়িতে এসে আমাকে জানালে আমরা অধ্যক্ষ একরামুল হককে জানানাের পর কোনো সুরাহ না করায় তিন দিন পর শাহরাস্তি মডেল থানায় মামলা দায়ের করি।

পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করার পর তার অনুসারীরা ঘটনাটি অন্যদিকে প্রভাবিত করতে এলাকায় আমার মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের সম্মানক্ষুন্ন করতে প্রতিবাদ সভা করে। এবং মামলা তুলে নিতে চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন আমীর ও মেম্বার আমিনুল ইসলামকে দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হুমকী দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তোলেন।

অপর দিকে মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুল খালেক শিক্ষকের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মালেক স্যার নিদোষ, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জহির ও মঞ্জু নামে দুই ব্যাক্তি ছাত্রীর অভিভাবকদের মামলা করাতে উদ্ধুদ্ধ করেছেন। অধ্যক্ষ শুক্র ও শনিবার মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় মাদ্রাসা খোলার দিন রবিবারে বিষয়টি নিয়ে বসবে বলে ছাত্রীর অভিভাবকদের বলেছে।

মাদ্রাসায় উন্নয়নের কাজে ও পরিচালনা কমিটিত যুক্ত না রাখায় একটি মহল মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছে। সাংবাদিকদের এক প্রাশ্নের জবাবে ছাত্র আব্দুল খালেক বলেন, একটি দলের লোকজন ফায়দা নিতে ব্যর্থ হয়ে আমাদর ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অতিতে ও বর্তমানে এমন অপবাদ ছড়াচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শিক্ষক অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিচার হউক।

সম্পর্কিত খবর