
চাঁদপুর খবর রির্পোট: চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিজি বাড়ির জাহাঙ্গীর মিজির মেয়ে জাফরিন আক্তারকে স্বামী কর্তৃক নির্যাতনের ঘটনায় চাঁদপুর সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত ৭নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ভিকটিম জাফরিন আক্তার এর পিতা জাহাঙ্গীর মিজি বাদী হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন এসআই আওলাদ হোসেন ।
এতে আসামী করা হয় ভিকটিমের স্বামী ১। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫), পিতা-মোঃ মানিক গাজী, ২। মোঃ মানিক গাজী (৫০), পিতা-মৃত শামছুল হক গাজী, ৩। মইনুদ্দিন মিলন (২৩), পিতা-মোঃ মানিক গাজী, সর্ব সাং-ছোটসুন্দর, পো: আলগী, রামপুর ইউনিয়ন, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর৷
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদী একজন কৃষক। ভিকটিম জাফরিন আক্তার (২০) আমার মেয়ে হয়। ১নং বিবাদী মেয়ের জামাই, ২নং বিবাদী শ্বশুর ও ৩নং বিবাদী দেবর হয়।
গ ১১এপ্রিল ২০২৫ তারিখ ১নং বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫) এর সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ৩,০০,০০০টাকা কাবিন ধার্য্য করে বাদীর মেয়ে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় আমার মেয়েকে আমি ৮ আনা ওজনের ১ টি গলার স্বর্ণের চেইন, ৪ আনা ওজনের ০১ টি হাতের আংটি, মূল্য অনুমান ১,৬০,০০০টাকা প্রদান করি। বাদীর মেয়ের জামাই ১নং বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫) একজন নেশাগ্রস্ত মানুষ।
সে প্রতিদিন বিভিন্ন নেশা করে চাঁদপুর সদর থানাধীন ছোট সুন্দর সাকিনস্থ বিবাদীদের বসত বাড়ী আসিয়া আমার মেয়েকে কারনে অকারনে মারধর করে। আমার মেয়ে প্রতিবাদ করিলে বিবাদীরা আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে মানষিক নির্যাতন করি। ১নং বিবাদী অপরাপর বিবাদীদের কু-পরামর্শে এবং সহযোগীতায় আমার মেয়ের কাছে প্রায় সময়ই যৌতুক চাইত। ১নং বিবাদী বিদেশে যাইবে বলিয়া আমার নিকট হইতে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ২,০০,০০০টাকা নেয়।
পরবর্তীতে বিবাদী বিদেশে না যাইয়া আমার উক্ত টাকা খরচ করে ফেলে এবং আমাকে কোন টাকা ফেরত না দিয়া বিভিন্নভাবে ঘুরাইতে থাকে। ঘটনার দিন গত ইং ১০/০৭/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ১নং বিবাদী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫) উল্লেখিত ঘটনাস্থলে আসিয়া ২ ও ৩নং বিবাদীদের কু-পরামর্শে ও সহযোগীতায় আমার মেয়ের কাছে ২,০০,০০০টাকা যৌতুক চায়। আমার মেয়ে যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিবাদীরা আমার মেয়েকে মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।
আমার মেয়ের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা আমার মেয়েকে এককাপড়ে ঘর হইতে বাহির করিয়া দেয়। উক্ত ঘটনার সংবাদ পাইয়া আমি বাড়ীর লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া আমার মেয়েকে উদ্ধার করিয়া চাঁদপুর সদর হাসপাতাল হইতে প্রাথমিক চিকিৎসা করাই।




