
স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবিতে অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধীনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণস্বাক্ষর ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। বিদ্যুৎ সেবা চালু রেখে ররিবার সকাল ১০টায় সমিতির কার্যালয়ের সামনে গণছুটির গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেন তারা।
কর্মসূচিতে তাদেন হয়রানি, চাকরিচ্যুতি এবং দাপ্তরিক অব্যবস্থার বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ, বৈষম্যসহ বিভিন্ন দাবি প্রকাশ করেন। কর্মসূচিতে চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সকল কর্মকর্তা কর্মচাারী গণস্বাক্ষর করে সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ রাশেদুজ্জামানের কাছে গণস্বাক্ষরের কাগজ তুলে দেন। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসনের মাধ্যমে আধুনিক ও টেকসই বিদ্যুৎ বিতরন ব্যবস্থা বিনির্মাণ এবং গ্রামীন জনগোষ্ঠীর উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের গঠিত দুইটি কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করা, হয়রানীমূলকভাবে বরখাস্তকৃত ও সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরখাস্ত আদেশ বাতিলপূর্বক পূর্বের কর্মস্থলে পদায়ন,
জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইনক্রুদের কর্মঘন্টা নির্ধারণ এবং শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিকালীন যোগদান করতে না পারা পাঁচ জন লাইনক্রুকে পূর্বের কর্মস্থলে যোগদানের ব্যবস্থা করা, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ৪(চার) দফা দাবীতে (বিদ্যুৎ সেবা চালু রেখে) অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এদিন দেশেন ৮০টি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এক সাথে এ কর্মসূচি পালন করে। চাঁদপুরে কর্মসূচি পালন কালীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন এজিএম (ই এন্ড সি), এ এফ এম রাকিবুল হাসান, লাইন টেকনিশিয়ান) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম-(ওয়ারিং পরিদর্শক) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, হিল্টন রায় বল্লভ, এম আর সি এম গুরুপদসহ এ সমিতির জোনাল, সাব জোনালা ও অভিযোগ কেন্দ্রের মোট ১৮টি কাযালয়ের ৬শত কর্মকর্তা কর্মচারী। তারা ছুটির গণস্বাক্ষরে অংশ নেন।




