
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে অন্তঃসত্ত্বা করেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ।
অবশেষে, বেলভিউ হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্ম নিলো একটি কন্যাশিশু। উক্ত ঘটনায় এহাজারনামীয় আসামী আবুল খাঁন(৬৯) কে গ্রেফতার করা হয়।
গতকাল ২৫আগস্ট চাঁদপুর পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম পুলিশ সুপার এর দিক নির্দেশনায় চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মহসীন ভূঁইয়া এর নেতৃত্বে বহরিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঁদপুর মডেল থানার এফআইআর নং-৫৫, তারিখ- ১৮ আগস্ট, ২০২৫; জি আর নং-৭৪৬, তারিখ- ১৮ আগস্ট, ২০২৫; সময়- ০০:১০ ঘটিকা ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ এর এহাজারনামীয় আসামী আবুল খাঁন(৬৯) কে গ্রেফতার করা হয়।
তার পিতা-মৃত জল্রিশ খাঁন, মাতা-মৃত সফরবানু, সাং-বহরিয়া, ০৭নং ওয়ার্ড, ১০নং লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়ন, থানা ও জেলা-চাঁদপুর কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনাটি চাঁদপুর সদর উপজেলার বহরিয়া বাজার সংলগ্ন সাবেক চেয়ারম্যান মনা খানের বাড়ির পাশের বাড়িতে । অভিযুক্ত বৃদ্ধের নাম আবুল খান। তাঁর বয়স ৬৫ বছর। এর আগে তিনি তিনটি বিয়ে করেছেন।
তার তিনটি সংসারে তাঁর ৬ টি পুত্র ও ৬ টি কণ্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আবুল খান বাড়ির সামনের মুদি দোকান দিয়ে ব্যবসা করত।
সেখানেই সুযোগ বুঝে দোকানে আসা সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বারবার দোকানের পিছনে নিয়ে নির্যাতন করত। কিছুদিন পর কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পরলে বিষয়টি পরিবারের চোখে পড়ে। কিন্তু লজ্জা আর ভয়ের কারণে প্রথমে কিছুই বলতে পারেনি মেয়েটি। পরে পরিবার ঘটনাটি জানতে পারলেও এলাকাবাসীর কাছ থেকে কোনো সমাধান মেলেনি।
শেষ পর্যন্ত কিশোরীর বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশে চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মহসিন ভূইয়া ২৪ আগস্ট রোববার অভিযুক্তকে বহরিয়া বাজার থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
বর্তমানে তাকে ধর্ষণ মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাহার মিয়া জানান, আমরা কিশোরীর পিতার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে বহরিয়া বাজার থেকে অভিযুক্তকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছি।




