
চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের ব্রাথরুমে দু শিক্ষার্থীকে একই সাথে পেয়ে নার্সিং ইনস্টিটিউটের নৈশপ্রহরী বাইরে থেকে ব্রাথরুমের দরজা বন্ধ করে দেন।
২০আগস্ট (বুধবার) চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের বাথরুমে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের ব্রাথরুমে দু শিক্ষার্থীকে একই সাথে পেয়ে নার্সিং ইনস্টিটিউটের নৈশপ্রহরী বাইরে থেকে ব্রাথরুমের দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তিনি শিক্ষকদেরকে খবর দেন। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ছুটে আসলে উভয়কে বিবস্ত্র অবস্হায় ওই ব্রাথরুম থেকে বের করে আনা হয় বলে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা জানান ।
এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলার ছেলে বায়েজিদ শিকদার আকাশ আর রাজশাহী জেলার “আ” নামের এক তরুনী। এ নিয়ে ওই দিন রাত সাড়ে ৮ টায় চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে কিছুটা হট্টগোল সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থী বায়েজিদ শিকদার আকাশ কে ছাত্রাবাসের যমুনা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে রাখা হয় । আর তরুণীকে ইনচার্জ জয়নব বেগমের হেফাজতে রাখা হয়।
জানাযায়, টাঙ্গাইল জেলার ছেলে বায়েজিদ শিকদার আকাশ চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ২য় বর্ষের ছাত্র আর রাজশাহী জেলার “আ” নামের শিক্ষার্থীনি প্রধম বর্ষের শিক্ষার্থী। বায়েজিদ শিকদার আকাশ চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তির পর থেকে নিজেকে শিক্ষার্থীদের নেতা হিসাবে জাহির করার চেষ্টা করে। অপর শিক্ষার্থীদের সাথে সব সময় রূঢ় আচরন করে। নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সাথে ও দূরব্যবহার করে। জরুরী বিভাগে দায়িত্ব পালন করতে আসলে সেখানে ও বহু অন্যায় অপরাধ করেছে সে।
জানাযায়, রাজশাহী থেকে পড়তে আসা এই মেয়েকে ছাড়াও চাঁদপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের বেশ কিছু তরুনী শিক্ষার্থীকে ভীষণ ভাবে উত্যক্ত করেছে। যার জন্য অপর শিক্ষার্থীরা তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আর তারই প্রতিফলন ঘটে ২০ আগস্ট রাতে বায়েজিদ শিকদার আকাশ ও তরুণী শিক্ষার্থীকে একই ব্রাথরুমে দীর্ঘ্য সময় অবস্থান করায় নৈশপ্রহরি হাতেনাতে ধরে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।
ইনচার্জ জয়নব বেগম জানান, আমাদের এখানে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেই সময় আমি চাঁদপুরে উপস্হিত ছিলাম না। আমি ঢাকা থেকে ট্রেনিং শেষ করে চাঁদপুর আসছিলাম। আমাকে আমার সিনিয়র স্টাফরা মোবাইলে বিষয়টি জানিয়েছে। আজকে নার্সিং ইনস্টিটিউটে এসে আমি বিষয়টি জেনেছি। আমি বলেছি ওনাদের অভিভাবকদের ডাকতে । আমি অফিসে এসে উদ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিস্তারিত ঘটনা জানলাম।
সিনিয়র বস সুপারেন্টেন স্যার ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাইফুল ইসলাম স্যার কে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা বলেছে কিভাবে বিষয়টি শুরাহা করা যায় সে বিষয়ে দেখবেন। আমরা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ইন্টারনাল সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা একটি কমিটি করে ধাপে ধাপে বিষয়টি নিয়ে এগুবো।




