
চাঁদপুর খবর রির্পোট: চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ২বারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কারানির্যাতিত স্বপন মাহমুদ একজন দৃঢ়চেতনা ও সংগ্রামী রাজনীতিবিদ। তার পিতার নাম মৃত আব্দুর রব মিয়াজি, গ্রাম-লোধেরগাঁও, পোঃ মহামায়া উপজেলাঃ চাঁদপুর সদর জেলাঃ চাঁদপুর।
সাবেক সফল চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ ১৯৯৬ সালে ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে যুবদলের মাধ্যমে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। সেই বছরই তিনি রেলওয়ে আন্দোলনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ২৭ দিন কারাবরণ করেন, যা ছিল তার রাজনৈতিক সংগ্রামের সূচনা। ১৯৯৮ সালে তিনি ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে চাদঁপুর সদর থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জানা যায়, স্বপন মাহমুদ ২০১১ সালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি একের পর এক মামলা, হামলা এবং সাসপেন্ট এর শিকার হন। মহামায়া বাজার মসজিদের পুকুর দখলের প্রতিবাদ করায় প্যাসিস্ট সরকারের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনির রোষানলে পড়েন। ২০১৬ সালে এক গণমিছিলে তার সামনেই যুবদল নেতা ফারুক পাটওয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন, কিন্তু এই হত্যার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় স্বপন মাহমুদকে। ২০১৭ সালে তাকে ১নং ক্রসফায়ার তালিকাভুক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১০ দিনের রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ৩ তিন মাস করাভোগ করার পর শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হন। ২০১৮ সালে তৎকালীন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার অন্যায় ভাবে জেলে থাকা অবস্থায় পুনরায় জনগনের বিপুল ভোটে পুনরায় ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
তিনি চাঁদপুর জেলার মধ্যে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের অন্যায় ভাবে পেট্টল বোমা, গাড়ী পোড়ানো, হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন ভাবে ২৭টি মামলায় অন্তভুক্ত করেন এবং বার বার করা বরন করেন। ২০১৪ সালে চাঁদপুর জেলা শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি এবং চাঁদপুর সদর থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। ২০২০ সালে চাঁদপুর জেলার ‘শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান’ নির্বাচিত হন। স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও সিসি ক্লিনিক কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। স্বপন মাহমুদ একজন সংসার প্রেমী মানুষ। তার পরিবারে এক স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। একমাত্র পুত্র সন্তান প্রবাসে আছে। গত ১৭ বছরে তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনৈতিক মামলা পরিচালনা করেন এবং বর্তমানে ভাড়াবাসায় বসবাস করছেন। তিনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তার ব্যবসার নাম পারভীন ইসলাম ট্রেডিং, যার মাধ্যমে তিনি সংসার পরিচালনা করেন। উনি ওনার জীবন জনগনের জন্য উৎসর্গ করেছেন।
স্বপন মাহমুদ জানান, ৫ আগষ্ট ২০২৪সালের পর থেকে জননেতা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই এর নির্দেশনায় ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চাঁদাবাজমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি । আমি সবসময় জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপোষ করেনি এবং করবো না।
আরো জানা যায়, রাজনীতি’ আপনার আমার সকলের গণতান্ত্রিক অধিকার,প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দিতা এর অবিচ্ছেদ্য অংশ। সমালোচনা রাজনীতিকে সম্মৃদ্ধ করে। কিন্তু উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কারো রাজনীতি, পারিবারিক জীবন ও ব্যাক্তিত্বকে হেয় করতে মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগে অভিযুক্ত করার আগে নিজের যোগ্যতার পরিমাপ করুন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী হিসেবে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সংগঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দল ও দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উপর ভিত্তিহীন মিথ্যাচার আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। মনে রাখবেন আমরা গণতন্ত্র রক্ষায় সংগ্রাম করেছি,দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় যা দরকার তাই করবো ইনশাআল্লাহ!




