
আমি মাহবুব আলম জাতীয় নাগরিক পার্টির চাঁদপুর জেলার সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ।তিনি গতকাল স্থানীয় দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার হোয়ারসপে একটি বিবৃতি পাঠিয়েছেন ।
বিবৃতিতে তিনি জানান, হাইমচর প্রেস ক্লাবে গতকাল যে সাংবাদিক সম্মেলন হয়েছে তাতে অসত্য ও মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে,যা আমার সাথে কোন সম্পৃক্ততা নাই।
আমাকে এবং আমার দল এনসিপি কে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্য প্রণদিত ভাবে হেয় প্রতি পূর্ণ করার জন্য করা হয়েছে।
১/কালাম নামের যে ব্যাক্তি কথা বলেছেন তিনি রীমটাচের সদস্য বা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নয়।তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। বিশেষ একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এন সি পির সফল পথসভাকে বিব্রত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নেগেটিভ প্রচারনা করছিল তাতে কাজ না হওয়ায় অবাস্তব একটি বিষয় নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
প্রকৃত ঘটনা: রীমটাচ মার্কেটিং কো: লি: জয়েন্ট স্টোক থেকে নিবন্ধিত একটি কোম্পানি ২০১২ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করেন গ্রাহক পর্যায়ে বাকীতে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে। হাইমচর উপজেলায় তিন হাজারের বেশি সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়। ছয় শত গ্রাহক থেকে এখনো কোম্পানি টাকা পাবেন,তার মধ্যে সাবেক বর্তমান রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।
২, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য প্রায় আট শত ইজিবাইক বাকীতে দেওয়া হয় তার মধ্যে প্রায় তিন শতাধিক সদস্য থেকে টাকা পাবে কোম্পানি। টাকা আদায়ের চেস্টা করলে সবচাইতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় রাজনৈতিক পরিচয়ে তাদের আত্মীয় স্বজন। যার কারনে কোম্পানি আদালতে তিনটি মামলা করেন যাহা পিবিআই তদন্তাদিন আছে।
৩, কিছু গ্রাহক তার সঞ্চয়ের পাশ বই নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছন তাহা অফিসিয়াল কোন ডকুমেন্টস নাই।ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আমার কোন সাক্ষর নাই যা ভূয়া। গত রমজানের ঈদের পর গ্রাহকদের সাথে আমি সরাসরি কথা বলেছি সঠিক পাওনাদার হলে যাচাই-বাচাই সাপেক্ষে প্রকৃত পাওনাদারকে আমরা চেকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করবো এই মর্মে একটি স্টেম্পে লিখিত দিয়েছি জাফর আহমেদ,বিল্লাল হোসেন ও আমি যে স্টাম্পটি বিএনপির হাইমচর উপজেলার যুগ্ম সদস্য সচিব অধ্যাপক হারুনুর রশিদ সাহেবের নিকট জমা আছে। প্রায় একশত পাশবই গ্রাহক জমা দিয়েছেন যাচাই বাছাই চলছে দেখা যায় অধিকাংশ পাস বই ভূয়া।




