ছোট শাহতলীতে হামলার ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ

চাঁদপুর খবর রির্পোট: তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ছোট শাহতলী গ্রামে হামলার ঘটনায় চাঁদপুর সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় ভাই ,তার বোন(আন্তসত্ত্ব)সহ কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়েছে ।

গতকাল ২০জুলাই (রবিবার) মোঃ শরীফ খান (২৪), পিতা-মোঃ আমির খান, সাং-ছোট শাহতলী, থানা ও জেলা-চাঁদপুর বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর থানায় অভিযোগ করেন।

এতে আসামী করা হয় ১। মোঃ এমরান খান (৩৫), ২। মোঃ হোসেন খান (৩৮), উভয় পিতা-মোঃ আইয়ুব খান, ৩। তানজিনা আক্তার (৩০), স্বামী-মোঃ এমরান খান, ৪। মোঃ আইয়ুব খান (৬০), পিতা-মৃত হাবিবুল্লাহ খান, সর্ব সাং-ছোট শাহতলী, উপজেলাঃ চাঁদপুর সদর, জেলা-চাঁদপুর।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদীরা আমাদের একই বাড়ীর লোক এবং নিকটাত্মীয়। সম্পর্কে চাচাতো ভাই, ভাইয়ের বউ ও জেঠা হয়। জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়া বিবাদীদের সাথে পূর্ব হইতে বিরোধ চলিয়া আসছে। উক্ত বিরোধের কারনে বিবাদীরা বিভিন্ন হুমকী ধমকী প্রদান করিয়া আসিতেছে।

গত ১৮জুলাই ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিবাদীদের মুরগী মারা যাওয়ার বিষয় নিয়া বর্ণিত বিবাদীরা আমার ছোট বোন ২ ও ৩নং সাক্ষীদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। আমার পিতা মোঃ আমির খান আগাইয়া গেলে বিবাদীরা আমার পিতা ও বোনদের মারধর করার জন্য আগাইয়া আসিলে তারা আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে ঘরের ভিতরে চলে যায়।

পরবর্তীতে আমি কাজ শেষে রাতের বেলা বাড়ীতে আসলে আমার বোনেরা আমার কাছে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানালে বিবাদীকে পাইয়া তাকে কেন আমার বাবা ও বোনদের গালাগাল করিয়াছে জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হইয়া উঠে এবং আমার সাথে কথাকাটাকাটি শুরু করে।

কথাকাটাকাটি শুনিয়া অন্যান্য বিবাদীরা হাতে লোহার রড, লাঠিসোটা ইত্যাদি নিয়া ঘটনাস্থলে আসিয়া আমার উপর অতর্কিত আক্রমন করে। ১নং বিবাদী আমাকে উপর্যুপরী কিল, ঘুষি মারিয়া আমার নাক, মুখ, পিঠ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।

১নং বিবাদীর উপর্যুপরী ঘুষি আমার নাকে পড়িয়া নাকে হাড় ভেঙ্গে যায়। আমি মাটিতে পরে গেলে ১নং বিবাদী আমার চোখ নষ্ট করে ফেলার উদ্দেশ্যে সজোরে ঘুষি মারিলে আমার বাম চোখে কালো রক্তজমাট জখম হয়। আমার ডাক চিৎকারে আমার বোন ২ ও ৩নং সাক্ষী আগাইয়া আসিলে সকল বিবাদীরা আমাদের মারধর করিয়া এবং পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।

১নং বিবাদী আমার অন্তসত্বা ছোট বোন ২নং সাক্ষী রেশমা আক্তার (২২) কে সজোরে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলে সে পেটে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়। আমাদের ডাক চিৎকারে বাড়ীর আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা আমাদের মারধর করিবে, লাশ ফেলে দিবে, আমাদের বাড়ী হইতে উচ্ছেদ করিয়া দিবে বলিয়া প্রকাশ্যে বিভিন্ন হুমকী ধমকী প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

পরে উপস্থিত লোকজন আমাকে এবং আমার বোনদের উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সম্পর্কিত খবর