
মতলব প্রতিনিধি : মতলব দক্ষিন উপজেলার নায়েরগাঁও বাজারে বিনা অনুমতিতে বহুতল ভবন নির্মান ও ভবন হেলে পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (দোকান) ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিক খালেক ফরাজীর বিরেদ্ধে।
সরজমিনে জানাযায় নায়েরগাঁও বাজারে সরকারের নিয়মনিতি অমান্য করে ৪ তলা ভবন নির্মান ও ভবনের সামনে সরকারি জায়গায় টয়লেটের টাংকী নির্মান করেন ভবন মালিক খালেক ফরাজী । যার কারনে পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রোজামনি ফার্নিচারের মালিক আঃ বারেকের টিনশেড দোকানের কিছু অংশের জায়গা দখল নেয় খালেক ফরাজী ।
এছাড়াও ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া শুধু মাত্র ইমারত নির্মান শ্রমিকদের দিয়ে নির্মান করা হয় এই ভবন । যার কারনে আশপাশের ব্যবসায়ীরা আতংক মধে দিন কাটাচ্ছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ।
এ বিষয়ে পাশের দোকান মালিক আঃ বারেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করলে গত ৭ জুলাই সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন।
এ বিষয়ে আঃ বারেক বলেন খালেক ফরাজী নিয়ম বহির্ভুতভাবে আমার জায়গা দখল করে ফাউন্ডেশন ও অনুমতি ছাড়া এ ভবন নির্মাণ করেন এবং সরকারি জায়গা দখল করে টয়লেটের টাংকি নির্মান করে । নির্মানের কিছুদিন পর ভবনের একাংশ দেবে আমার টিনশেড দোকানের হেলে পড়ে দেয়ালের ক্ষতিসাধন করেন। আমি নায়েরগাঁও বাজার বনিক সমিতি, ইউনিয়ন পরিষদ, সককারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি ।
নায়েরগাঁও এর ইঞ্জিয়ার মোস্তফা বলেন আমার কাছে ভবনের ড্রইং এর জন্য এসেছিল। আমার ড্রইং অনুসরন না করে নিজের মত করে ভবন নির্মান করেন ।
এ বিষয়ে ভবন মালিক খালেক ফরাজী বলেন ভবন নির্মানে অনুমতির বিষয়টি আমার জানা ছিলনা । আমার রাজ মেস্তুুরীর ভূলের কারনে পাশের মালিকের জায়গায় চলে গেছে । উপজেলা থেকে বলেছে কাগজ পত্র নিয়ে গেলে অনুমতির কাগজ দিয়ে দিবে।
উপজেলা প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন আমাদের অনুমতি ছাড়াই এই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে । এই ভবনের কোন নকশা আমাদের কাছে নেই । এই ভবনের কারণে কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে তার সকল দায়ভার ভবন মালিককে নিতে হবে।




