
মহসিন হোসাইন: চাঁদপুরে বৃষ্টিস্নাত এক আবেগঘন সকালে জুলাই শহীদদের স্মরণে স্থাপিত হলো “জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ”। ২০৫ সালের ১৪ জুলাই (সোমবার) চাঁদপুর শহরের কেন্দ্রস্থলে জেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই স্মৃতি স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।
স্মৃতি স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। বলেন, আমরা আগামী ৫ আগস্ট এই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবো। এটি আমাদের প্রেরণার উৎস। গণতন্ত্র, সুশাসন ও অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে এটি থাকবে। যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের স্মরণে ও তাঁদের পরিবারকে কিছুটা স্বান্তনা দেওয়ার চেষ্টা মাত্র। ভবিষ্যতে কেউ যদি এই চেতনাকে বিস্মৃত হয়ে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে, তাহলে বাংলার মানুষ অধিকার আদায়ে আবার ঝাঁপিয়ে পড়বে।
তিনি আরও জানান, প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী চাঁদপুর জেলায় জুলাই আন্দোলনে শহীদের সংখ্যা ৩১ জন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৩০ জন। আন্দোলনে কারো অঙ্গহানি হয়ে থাকলে সেটিও সরকারিভাবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে, ফলে এই সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব (পিপিএম), পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ গোলাম জাকারিয়া, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত,
সদর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার আল এমরান খান,পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ মোশাররফ হোসাইন।




