চাঁদপুর খবর রির্পোটঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাইকদি গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তা কেটে তার ভিতর দিয়ে অবৈধভাবে পাইপ বসানোয় দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকায় নিউজের প্রেক্ষিতে মাহবুব পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে নোটিশ জারী করা হয়েছে।
গতকাল ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এম এ কুদ্দুস রোকন অভিযুক্ত পাইকদি নির্বাসী মাহবুব পাটওয়ারী নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে অভিযুক্ত মাহবুব পাটওয়ারীকে বলা কেন সরকারি রাস্তার কেটে পাইপ বসিয়েছে তার জবাব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়ার জন্য।
এ বিষয়ে ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এম এ কুদ্দুস রোকন দৈনিক চাঁদপুর খবর কে বলেন, দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার রির্পোটের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মাহবুব পাটওয়ারীকে কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার ভুল হয়েছে বলে দুঃখ প্রকাশ করছে। কিন্তু আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।
এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে অভিযুক্ত মাহবুব পাটওয়ারী । নানাভাবে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি । পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করার চেষ্টায় আছেন ।
উল্লেখ্য, গত ৬জুলাই (রবিবার) বিকাল ৩টায় সরেজমিনে পাইকিদি গিয়ে দেখা যায়, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাইকদি পাটওয়ারী বাড়ির মাহবুব পাটওয়ারী তার গরুর খামার থেকে কয়েকটি পাইপ সরকারি রাস্তার কেটে তার ভিতরে বসিয়েছে। উক্ত পাইপের পানির লাইন মানুষের ব্যবহার করা পুকুরে দেওয়া হয়েছে। এতে মানুষ বিরুদ্ধে রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
জানা যায়, মাহবুব পাটওয়ারী ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাইকদি পাটওয়ারী বাড়ির বাসিন্দা, তার পিতার নাম আবদুল হাই পাটওয়ারী , মাতার নাম- রাবেয়া বেগম।
এলাকাবাসী দৈনিক চাঁদপুর খবরকে জানায়, মাহবুব পাটওয়ারী জোরপূর্বক সরকারি রাস্তার নিচ দিয়ে পাইপ বসিয়েছে। পাইপের পানি জনগণের ব্যবহৃত পুকুরে দিয়েছে। রাস্তার নিচে পাইপ বাসানোয় যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া পুকুরে নোংরা পানির লাইন দেওয়ায় পুকুরের পানি সহ পরিবেশে বিরুপ প্রভাব পড়ছে।
এতে পুকুরের পানি ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আমরা সরকারি রাস্তার নিচ দিয়ে এবং মানুষের ব্যবহৃত পুকুরে ময়লা পানির লাইন যেন না দেয় নিষেধ করেছি। কিন্তু মাহবুব পাটওয়ারী আমাদের কথা শুনে না। রাস্তার নিচ থেকে পাইপটি না সরালে যে কোন সময় সরকারি রাস্তাটি ভেঙ্গে যেতে পারে। আমরা এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।