
গাজী মোঃ ইমাম হাসানঃ চাঁদপুরে সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ প্রতিযোগিতায় ৬ জেলার ১৭০ জন সাতারু অংশ নেয়। চাঁদপুর শহরের অঙ্গীকার লেক এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় অংশগ্রহণকারীরা। প্রতিযোগিতা শেষে ৪০ জন সাঁতারু ইয়েসকাড প্রাপ্ত হন।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের আয়োজনে গতকাল শনিবার সকালে চাঁদপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক লেকের পাড়ে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দীন।
তিনি তার বক্তব্যে বলেছেন, চাঁদপুর নদীবেষ্টিত এলাকা এখানে জাতীয় পর্যায়ের কোনো সাঁতারু নেই। কিভাবে এই জেলা থেকে সেরা সাঁতারু বের করা যায় এ বিষয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। আজকে ১৭০ জন এ প্রতিযোগীয় অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ৪০ জন ইয়েস কার্ড পেয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আগামীতে এখান থেকে জাতীয় পর্যায়ে কেউ না কেউ ভালো করবে। যদি ভালো নাও করে পরের স্টেজে যাওয়ার জন্য এ অভিজ্ঞতা কাজ লাগবে। নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হলেও সাঁতার শিখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি কাজ করেছি কিশোরগঞ্জের নিকলিতে। বাংলাদেশের সেরা সাতারু সব কিশোরগঞ্জের নিকলিতে। তারা প্রাকৃতিকগত ভাবে হাওড়ে সাঁতার শিখতে পারে সেখানে। আমিও বিশ্বাস করি, যেহেতু চাঁদপুরে চারিদিকে নদী আছে এখান থেকেও সেরা সাঁতারু বের করতে পারবো।
তিনি বলেন, আমাদেরও ব্যর্থতা আছে। আমাদের ব্যর্থতার কোথায়, আমাদের সাংগঠনিক ক্যাপাসিটিতে দুর্বলতা আছে। আমাদের ভালো কোন কোচিং প্যানেল ও সুইমিং পুল নেই। আসার খবর হচ্ছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে চাঁদপুরের সুইমিংপুলের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক যেহেতু চাঁদপুরের ছেলে, সুইমিং পুলের কাজ শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন ভালো পেশাদার সুইমিং কোচ চাঁদপুরে নিয়োগ দেবে বলে আমি আশা করি। অন্তত পক্ষে চাঁদপুরের ছেলে-মেয়েরা যেন সাঁতার শিখতে পারে।
বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সদস্য নুর ই আফরোজের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান শাহীন, বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফাহিম আহমেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্রীয়া পরিষদের সহকারী পরিচালক সাজিদা আফরিনসহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য, সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ- ২০২৫ এ ৯ থেকে ১১ বছর বালক ৩০ জন, ৯ থেকে ১১ বছর বালিকা ৬ জন, ১২ থেকে ১৫ বছর বালক ১০৯ জন ও ১২ থেকে ৫ বছর বালিকা ২৩ জন অংশ নেয়।
‘ইয়েস কার্ড’ প্রাপ্ত সাঁতারুদের পরিসংখ্যানে প্রাপ্ত ৯ থেকে ১১ বছর বালকে ৪ জন, ৯ থেকে ১১ বছর বালিকা ৩ জন, ১২ থেকে ১৫ বছর বালক ২০ জন ও ১২ থেকে ১৫ বছর বালিকা ১৩ জন। এতে বালক ২৪ জন ও বালিকা ১৬ জন।




