মতলব দক্ষিণে প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে মোবাইলে বাল্য বিয়ে : থানায় অভিযোগ

সমির ভট্রাচার্য্য : মতলব দক্ষিনে প্রতিবন্ধী প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রবাসে থেকে মোবাইল ফোনের নাধ্যমে বাল্যবিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রাবাসীর বিরুদ্ধে । এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তাঁতখানা গ্রামে ।

সরজমিনে জানাযায় মতলব দক্ষিন উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিন ইউনিয়নের তাঁতখানা গ্রামের সাহেব আলী প্রধানীয়া বাড়ীর প্রবাসী হারুনুর রশিদের ছেলে প্রবাসী সুফি আহম্মেদ ভালবেসে বিয়ে করে একই বাড়ীর প্রবাসী জামাল হোসেনের মেয়ে প্রতিবন্ধী নিপা আক্তারকে । সুখেই দিন কাটছিল প্রতিবন্ধী গৃহবধু নিপার । এরই মাঝে তার স্বামী সুফি আহাম্মেদ প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসে পরকিয়ায় জরিয়ে পরে । পরে স্বামী স্ত্রী মাঝে ঝগরা শুরু হয় তাদের মাঝে। এ ঘটনায় চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন নিপা আক্তার ।

সুফি আহাম্মদ গত ১৮ এপ্রিল শুক্রবার রোটারীর মাধ্যমে বিয়ে করেন একই গ্রামের বেপারী বাড়ীর শরিফ হোসেনের মেয়ে সাদিয়া (১৫) এর সাথে এ ঘটনায় মতলব দক্ষিন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে এসআই জালাল ঘাটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আদালতের মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে কোন প্রকার ঝামেলায় জড়াতে নিষেধ করেন ।

এ বিষয়ে নিপা আক্তার বলেন আমার শাশুরী বিভিন্ন সময় আমার প্রতি নির্যাতন করে আসছিল। আমাকে না জানিয়ে আমার স্বামী পাশের বাড়ীর শরিফের মেয়েকে সাদিয়াকে মোবাইল ফোনে বিয়ে করেন । বিষয়টি শুনে আমি থানায় অভিযোগ করেছি । এখন শুনছি আমার স্বামী সফি আমাকে তালাক দিয়েছে । আমি আদালতের কোন নোটিশ পাইনি । আমি ন্যায় বিচারের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি । এ বিষয়ে সুফি আহম্মেদের বাড়ীতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি ।

এ বিষয়ে সাদিয়ার পিতা শরিফ হোসেন বলেন সুফি আহম্মেদ নিপাকে তালাক দিয়ে আমার মেযেকে বিয়ে করেছে ।
গত ১৮ এপ্রিল চাঁদপুরে কোর্টে আমার মেয়ের বিয়ে হয়েছে ।

মতলব দক্ষিব থানার অফিসার ইবচার্জ সালেহ আহাম্মদ বলেন অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি । তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

 

সম্পর্কিত খবর