নানুপুর বালুঘাট নৌ-পথে পরিবাহিত মালামালের শুল্ক আদায়ের অনুমতি লাভ

চাঁদপুর খবর রির্পোট: চাঁদপুর নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রাধীন চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলাধীন বাঘড়াবাজার লেবুতলা হতে সুইচগেইট সংলগ্ন নানুপুর বালুঘাট এলাকায় নৌপথে পরিবাহিত মালামালের শুল্ক ও বার্দিং চাজ আদায় কাযক্রম পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালনার জন্য সাময়িক অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাঘড়াবাজার এলাকার ছোবানপুর গ্রামের মো: লিয়াকত হোসেন খান এর ছেলে মো: ইসমাঈল হোসেন খানকে এ অনুমতি দেওয়া হয়।

গত ১১মার্চ চাঁদপুর নদীবন্দর বিআইডব্লিউটিএ বন্দর ও পরিবহন বিভাগের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো: বাছির আলী খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ অনুমতি দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, চাঁদপুর নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রনাধীণ চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলাস্থ বাখড়াবাজার লেবুতলা হতে লুইসগেইট সংলগ্ন নানুপুর বালুঘাট ও সাহেববাজার পর্যন্ত এলাকায় নৌপথে পরিবাহিত মালামালের শুল্ক ও বার্নিং চার্জ আদায়ের জন্য ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের ১৩-০৩-২০২৫ ইং হতে ১১-০৪-২০২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত ৩০(ত্রিশ) দিনের জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হারে শুল্ক ও বার্নিং আনায়করে অদ্য ১১-০৩-২০২৫ তারিখে অনুরিও স্পট-কোটেশনে দাখিলকৃত দর সর্বোচ্চ হওয়ায় এবং ইজারা মূল্য, ১০% আয়কর এবং ১৫% ভ্যাট যথা নিয়মে কর্তৃপক্ষের অনুকূলে পরিশোধ করেছেন বিনায় প্রদত্ত দরটি কমিটি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

এমতাবস্থায়, কর্তৃপক্ষের ইজারা প্রদান পদ্ধতির ৩৩(খ) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিম্নেবর্ণিত শর্তাধীনে কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১৩-০৩-২০২৫ ইং হতে ১১-০৪-২০২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য চাঁদপুর জেলার সদরের বাঘড়াবাজার লেবুতলা হতে সুইসগেইট সংলগ্ন নানুপুর বানুঘাট ও সাহেববাজার পর্যন্ত এলাকায় নৌপথে পরিবাহিত মালামালের শুদ্ধ ও বার্দিং চার্জ আদায়ের কেন্দ্র/পয়েন্ট হতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হারে শুল্ক/চার্জ আদায় কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালনার জন্য আপনাকে সাময়িক অনুমতি প্রদান করা হলে।

এতে নিন্মমোক্ত শর্তাবলী দেওয়া হয়- (ক) কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত হারে শুল্ক/চার্জ আদায় করতে হবে। কোন ক্রমেই অতিরিক্ত হারে শুল্ক আদায় করা যাবে না। শুদ্ধ/চার্জ আদায়ের ক্ষেত্রে রশিদ প্রদান করতে হবে। খ) নৌযান মালিক/শ্রমিক বা ব্যবসায়ীগণকে কোনভাবেই হয়রানি করা যাবে না। (গ) চলন্ত নৌযান থেকে কোন শুল্ক/চার্জ আদায় করা যাবে না। (ঘ) নৌপথ বন্ধ করা যাবে না।

এতে আরো বলা হয়, এছাড়াও বন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্য যে কোন আদেশ/নির্দেশ প্রতিপাদন করতে হবে।

উপরিউক্ত শর্তাবলী ভঙ্গ করা হলে ঘাট/পয়েন্ট পরিচালনার অনুমতি/কার্যাদেশ বাতিল করা হবে।

সম্পর্কিত খবর